আজ সোমবার, ২০ আগষ্ট ২০১৮ ইং, ০৫ ভাদ্র ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



গুপ্তহত্যায় জড়িতদের খুঁজে খুঁজে বের করব : প্রধানমন্ত্রী

Published on 12 June 2016 | 3: 53 am

যারা গুপ্তহত্যার সাথে জড়িত তাদের ‘খুঁজে খুঁজে’ বের করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার সকালে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী একথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকাশ্যে মানুষ হত্যা বন্ধ করতে পারলে সরকার গুপ্তহত্যাও বন্ধ করতে পারবে। এ জন্য সময় দরকার। এরই মধ্যে গুপ্তহত্যাকারীদের সূত্র খুঁজে পাচ্ছে সরকার।

এক-এগারোর সরকারের সময়ে ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন কারামুক্ত হন শেখ হাসিনা। এই দিনে আয়োজিত সভার শুরুতেই দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানান আওয়ামী লীগের নেতারা।

সভায় কারাগারে সময়ের স্মৃতিচারণা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কারাভোগের কষ্ট সহ্য করেও তিনি সব সময় নির্বাচন চেয়েছেন। আর নির্বাচনের মাধ্যমেই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে দেশকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিচ্ছে। অথচ সরকারকে হেয় করতে মানুষ হত্যার পথ বেছে নিচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন গুপ্তহত্যার জন্য তাকে দায়ী করেছেন। অথচ খুন করার অভ্যাস বিএনপি নেত্রীরই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গুপ্তহত্যা করে দেশি-বিদেশি যারাই প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে চাচ্ছে, তাদের ক্ষমা নেই। সেই সাথে শুধু দাঁড়িয়ে না দেখে হত্যাকারীদের সবখানে প্রতিহত করতে দেশবাসীর প্রতি আহবান জানান তিনি।

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া সব গুপ্তহত্যার জন্য ফের বিএনপিকে দায়ী করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যত হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশে হচ্ছে, প্রতিটির মদদদাতা তারা। অস্বীকার করবে কীভাবে? জনগণ যদি একটু ভালোভাবে দেখে, তাহলে দেখবে কারা রক্তপাত ঘটায়, কারা মানুষ পুড়িয়ে মারে?’

আন্দোলনে প্রকাশ্যে ‘মানুষ হত্যা’ করে প্রতিরোধের মুখে পড়ে এখন বিএনপি-জামায়াত গুপ্তহত্যা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

গুপ্তহত্যার পেছনে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ঠেকানোর ষড়যন্ত্রও কাজ করছে বলে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যাদের মন্ত্রী বানিয়েছিল, তাদের যুদ্ধাপরাধী হিসাবে তারা ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলছে। খালেদা জিয়া এই ব্যথা কীভাবে ভুলবে বলেন? খালেদা জিয়া এই প্রতিশোধ নেবে না? সে প্রতিশোধ সে নিচ্ছে, এটা তো বাস্তব কথা।’


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন