আজ বৃহঃপতিবার, ২১ জুন ২০১৮ ইং, ০৭ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



চট্টগ্রামের হালিশহর বিশ্বরোড ময়নামতি ডিপো থেকে নিলামে কেনা ১৪টি কন্টেনার আটক

Published on 30 September 2015 | 3: 08 am

জাল কাগজপত্র দেখিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সংরক্ষিত এলাকার বাইরে নিয়ে আসা ১৪ কন্টেনার নিলামকৃত পণ্য আটক করেছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। অথচ পণ্যের দাম ও রাজস্ব মিলে পরিশোধ করা হয়নি ৭০ লাখ টাকা। গতকাল মঙ্গলবার সকালে নগরীর হালিশহর থানার নয়াবাজার বিশ্বরোড এলাকাস্থ ময়নামতি মেরিন নামে একটি বেসরকারি কন্টেইনার ডিপো থেকে এসব আটক করা হয়।

চট্টগ্রাম কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ও হালিশহর থানা পুলিশের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালে এ ১৪টি কন্টেনার দুই লটে চট্টগ্রাম বন্দরে আনা হয়। এক লটে ১০টি ও অপর লটে ছিল ৪টি কন্টেনার। ওই বছরই প্রথম দফায় নিলাম হয় এসব কন্টেনারে থাকা গ্লিসারিন। সম্প্রতি চট্টগ্রাম বন্দরের কাস্টমস অকশান শেডে ১৪ কন্টেইনার গ্লিসারিন ৭০ লাখ টাকায় নিলামে (দ্বিতীয় নিলাম) ক্রয় করেন সাইফুল হায়দার চৌধুরী নামে এক ব্যক্তি। ওই ব্যক্তি পণ্যের দাম ও রাজস্ব মিলিয়ে ৭০ লাখ টাকা পরিশোধ না করে গত ২২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ১৪টি কন্টেইনার নিয়ে যায়। সংশ্লিষ্টরা জানান, ঈদের আগের মুহুর্তে তাড়াহুড়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এসব কন্টেনার খালাস করে নিয়ে যাওয়া হয়।

এ ব্যাপারে চট্টগ্রাম কাস্টমসের সহকারী কমিশনার মুকিতুল হাসান বলেন, নির্ধারিত অর্থ জমা না দিয়ে জাল কাগজপত্র দেখিয়ে এসব পণ্য ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়ে থাকতে পারে। আমরা এ বিষয়টি খতিয়ে দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

জানা গেছে, গত ২২ সেপ্টেম্বর কন্টেইনারগুলো বন্দর থেকে বের করে নিয়ে যাবার বিষয়টি কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর বিষয়টি নিয়ে তৎপর হন তারা। এরই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার হালিশহরের উল্লেখিত বেসরকারি ডিপোটিতে নিয়ে যাওয়া কন্টেইনারগুলো থাকার বিষয়টি আমরা নিশ্চিত হই। এরপর চলে অভিযান।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সাধারণত কোন কন্টেইনার বন্দরের বাইরে নিয়ে যাবার সময় সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও অর্থ জমাদানের রশিদ কাস্টমসে জমা দিতে হয়। এক্ষেত্রে তা করা হয়নি বলেই ধারণা। বর্তমানে এসব কন্টেইনার কাস্টমস ও পুলিশের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। কাস্টমস থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, নিলামকৃত এসব পণ্য বন্দর থেকে বের হবার পর আবার মোহাম্মদ দেলোয়ার নামে একজনের কাছে বিক্রি করা হয় এসব পণ্য। দেলোয়ার পণ্যগুলো কিনে হালিশহরের বেসরকারি ওই ডিপোটিতে রাখেন।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন