আজ শনিবার, ২৬ মে ২০১৮ ইং, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



প্রকৃতিগতভাবে আমে ফরমালিন থাকে

Published on 07 June 2016 | 3: 32 am

প্রতিটি আমেই প্রকৃতিগতভাবে ১ থেকে ৬০ পিপিএম ফরমালিন থাকে। দেশের আমে সাধারণত ফরমালিন মেশানো হয় না। তাই নিশ্চিন্ত মনেই আম খেতে পারেন জনগণ।

সোমবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং ইউএসএআইডি এগ্রিকালচার ভ্যালু চেইন্স প্রজেক্ট (ডিএআই) যৌথভাবে আয়োজিত ‘আম বাজারজাতকরণে সহায়ক নীতি পরিবেশ’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়। সংলাপের মূল প্রবন্ধে এসব কথা জানান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এমএ রহিম।

মূল প্রবন্ধে এমএ রহিম বলেন, বাংলাদেশে ফলমূলে ক্যালসিয়াম কার্বাইড ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। আমে প্রকৃতিগতভাবে ১ থেকে ৬০ পিপিএম ফরমালিন থাকে। যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর নয়। এ সময় আম উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের অতিরিক্ত মাত্রায় কীটনাশক ব্যবহার না করার জন্য আহ্বান জানান তিনি।

সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের মহাপরিচালক হামিদুর রহমান এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মনোজ কুমার।

প্রধান অতিথি নাজমুল ইসলাম বলেন, আম প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ‘হট ওয়াটার মেশিন’ স্থাপন করা হয়েছে। আম বাজারজাতকরণের জন্য পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এ বাবদ ৬০০-৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হবে। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের মহাপরিচালক হামিদুর রহমান বলেন, সরকার রাজধানীর শ্যামপুর এলাকায় ফল পরীক্ষার জন্য একটি ল্যাবেরেটরি স্থাপন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশনের প্রতিনিধি ড. নূর আহমেদ খন্দকার বলেন, আমাদের কৃষি নীতিমালা রয়েছে এবং এখন সময় এসেছে তা বাস্তবায়নের। তিনি বিলম্বে ফল পাকানোর পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য কৃষি বিজ্ঞানীদের প্রতি আহ্বান জানান, যার মাধ্যমে মৌসুম শেষ হওয়ার পরও ফল খাওয়া সম্ভব হবে।


Advertisement

আরও পড়ুন