আজ শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৮ ইং, ১৪ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



আয়ের সুষম বণ্টনের চ্যালেঞ্জিং বাজেট ঘোষণা আজ

Published on 02 June 2016 | 2: 36 am

মাথাপিছু আয় ও জিডিপির প্রবৃদ্ধির উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে আজ ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা দেবেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। আয়ের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে নতুন বাজেটে রূপরেখা তৈরি করেছেন তিনি। এতে প্রগতিশীল করনীতি অনুসরণ, কৃষিতে প্রণোদনা দেয়া এবং ক্ষুদ্রঋণ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রস্তাব রেখেছেন।

একই সঙ্গে সুবিধাবঞ্চিত শ্রেণীকে সহায়তা ও সামাজিক নিরাপত্তার কৌশল বাস্তবায়নের দিকনির্দেশনাও দেয়া হয়েছে। জিডিপি ও মাথাপিছু আয়ের উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জনে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, বিদেশ থেকে নিট আয় বাড়ানো, সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা ও বিনিয়োগ বাড়ানোর ঘোষণা দেবেন তিনি।

বুধবার জাতীয় সংসদে শুরু হয়েছে বাজেট অধিবেশন। সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদসহ সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা এতে যোগ দেন। দ্বিতীয় দিনে আজ বেলা সাড়ে ৩টায় শুরু হবে অধিবেশন। এরপরই অর্থমন্ত্রী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা দেবেন।

এটি মহাজোট সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের তৃতীয় এবং অর্থমন্ত্রীর ব্যক্তিগত দশম বাজেট। এবারও পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে বাজেট উপস্থাপন করা হবে। এ বাজেটের সম্ভাব্য আকার হচ্ছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬০৫ কোটি টাকা। রাজস্ব আয় ধরা হচ্ছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা। ফলে ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে ৯৭ হাজার ৮৫৩ কোটি টাকা।

নতুন ভ্যাট আইন বাস্তবায়ন করে আয় কিছুটা বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়েছিলেন অর্থমন্ত্রী কিন্তু ব্যবসায়ীদের তীব্র আপত্তিতে তা পারছেন না। শেষ পর্যন্ত প্যাকেজ ভ্যাট প্রথা বহাল রাখা হচ্ছে। ফলে সাড়ে ৯৭ হাজার কোটি টাকার বিশাল ঘাটতি বাজেটের দায় কাঁধে নিতে হবে অর্থমন্ত্রীকে। বাজেটে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১ এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) বাস্তবায়নকে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি সরকারের অগ্রাধিকার কার্যক্রমে সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত করার দিকনির্দেশনা রয়েছে বাজেটে। প্রস্তাবিত বাজেটে ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধশীল রাষ্ট্রে পৌঁছানোর জন্য রূপরেখা দেয়া হবে।

বাজেটে বড় ধরনের কোনো পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। তবে বড় ১০ প্রকল্প নিয়ে কাঠামো রূপান্তর বৃহৎ প্রকল্প প্রবৃদ্ধি সঞ্চারে নতুন মাত্রা নামে আলাদা বাজেট দেয়া হবে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) বাস্তবায়নের জন্য বাজেটে অভিজ্ঞ পরিচালকদের সমন্বয়ে ‘পিডি পুল’ নামে একটি টিম গঠনের ঘোষণা থাকছে। পাবলিক ও প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) খাতে বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে ৩ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া নারী উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় ৪০ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিয়ে দেয়া হবে আলাদা ধারণাপত্র। নতুন বাজেটে শিশুদের নিয়ে বাজেট ভাবনা, মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি বিবৃতি, মধ্যমেয়াদি বাজেট কাঠামো, দক্ষতা উন্নয়নে উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জনের অগ্রাধিকার থাকছে।

এ প্রসঙ্গে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মাহবুব আহমেদ যুগান্তরকে বলেন, ‘আগামী বাজেট হবে প্রবৃদ্ধি, উন্নয়ন ও আয়ের সুষম বণ্টনের বাজেট। প্রতিবছরের মতো এবারও জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যে বাজেট ঘাটতি রাখা হয়েছে। মানবসম্পদ উন্নয়নে ফান্ড গঠন করা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় জলবায়ু খাতে বরাদ্দ রাখা হচ্ছে। উচ্চ প্রবৃদ্ধির পথ রচনা হবে এ বাজেটের মধ্য দিয়ে।’

নতুন বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে সাড়ে ৭ শতাংশ। মূল্যস্ফীতির হার ধরা হয়েছে ৫ দশমিক ৮ শতাংশ। আগামী বছর মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) আকার ধরা হয়েছে ১৯ লাখ ৬১ হাজার ১৭ কোটি টাকা। যার ৫ শতাংশ ধরা হয়েছে বাজেট ঘাটতি।

বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৭৫২ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত কর ব্যবস্থা থেকে আদায় করা হবে ২ লাখ ৩ হাজার ১৫২ কোটি টাকা। এনবিআরবহির্ভূত কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ হাজার ২৫০ কোটি টাকা এবং কর-বহির্ভূত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৩২ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা।

নতুন বাজেটে সম্ভাব্য অনুন্নয়ন ব্যয় ২ লাখ ১৫ হাজার ৭৪৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে অনুন্নয়ন রাজস্ব ব্যয় এক লাখ ৮৮ হাজার ৯৬৬ কোটি টাকা। সরকারের নেয়া ব্যাংক ঋণের সুদে পরিশোধ হবে ৩৮ হাজার ২৪০ কোটি টাকা এবং বিদেশী ঋণের সুদ পরিশোধ করা হবে ১ হাজার ৭১১ কোটি টাকা। উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় হবে ১ লাখ ১৭ হাজার ২৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে এডিপির আকার ১ লাখ ১০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। যাতে সরকারের অর্থায়ন ৭০ হাজার ৭০০ কোটি টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা হচ্ছে ৪০ হাজার কোটি টাকা।

জিডিপির ৫ শতাংশ ধরেই ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। ঘাটতির পরিমাণ ৯৭ হাজার ৮৫৩ কোটি টাকা। ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ ব্যাংক থেকে ঋণ নেয়া হবে ৩৮ হাজার ৯৩৮ কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্র খাত থেকে নেয়া হবে ১৯ হাজার ৬১০ কোটি টাকা এবং অন্যান্য খাত থেকে নেয়া হবে ৩ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া বৈদেশিক উৎসের মধ্যে বিদেশী ঋণের পরিমাণ ৩৮ হাজার ৯৪৭ কোটি টাকা। তবে এর মধ্যে আগের নেয়া বিদেশী ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ৮ হাজার ১১৫ কোটি টাকা।

প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপির ৯ শতাংশের সমপরিমাণ অর্থ বরাদ্দ পাচ্ছে দশটি মন্ত্রণালয়। যা আগামী বাজেটের ৫২ দশমিক ১ শতাংশের মধ্যে। দশ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দের ক্ষেত্রে মোট বাজেটের ৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে, ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ প্রতিরক্ষা খাতে, ৬ দশমিক ২৭ শতাংশ স্থানীয় সরকার বিভাগে ও ৬ দশমিক ২৪ শতাংশ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা খাতে রয়েছে।

বাজেটে ভর্তুকি-প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বরাদ্দ থাকছে সম্ভাব্য ২২ হাজার ৯০৯ কোটি টাকা। এর মধ্যে ভর্তুকি খাতে ৩ হাজার ৪০৯ কোটি টাকা ও প্রণোদনায় ১৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকা এবং নগদ ঋণ খাতে ৭ হাজার কোটি টাকা রাখা হচ্ছে। প্রণোদনার মধ্যে কৃষি খাতে ৯ হাজার কোটি টাকা, রফতানিতে ৪ হাজার কোটি টাকা এবং পাটজাত দ্রব্যাদিতে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।

দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এ খাতে বরাদ্দ থাকছে ৩৪ হাজার ৩০৭ কোটি টাকা। বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় সব ধরনের ভাতা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাড়ছে আওতাও। উপকারভোগীর আওতা ৫ থেকে ১০ শতাংশ বাড়ানো হচ্ছে। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার ভাতা ৮ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা, মাতৃত্বকালীন ভাতার উপকারভোগীর সংখ্যা ২ লাখ ৬৪ হাজার থেকে ৫ লাখ এবং বিধবা ভাতা ৪শ’ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫শ’ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উপকারভোগীর সংখ্যা ১১ লাখ ১৩ হাজার থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ১১ লাখে উন্নীত করা হচ্ছে। এ ছাড়া বয়স্ক ভাতা ৪শ’ থেকে বাড়িয়ে ৫শ’ টাকা করা হয়েছে। উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে ৫ শতাংশ। চা-শ্রমিকদের ভাতার সুবিধাভোগীর সংখ্যা ২০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার করা হচ্ছে। অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতার সুবিধাভোগীর সংখ্যা ৬ লাখ থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ৭ লাখে উন্নীত করা হয়েছে। ভাতার পরিমাণ ৫শ’ থেকে বাড়িয়ে ৬শ’ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আগামী বাজেটে এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ কমছে। নতুন বাজেটে বরাদ্দ থাকছে ১৭ হাজার ৫৩৬ কোটি টাকা। আগামী বাজেটে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়নসহ সার্বিক মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিদ্যুৎ, জ্বালানিসহ ১৮টি খাতকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।

বাজেট অধিবেশন শুরু : দশম জাতীয় সংসদের তৃতীয় বাজেট অধিবেশন বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টায় ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট মো. ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে শুরু হয়। এর আগে সংসদের কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত বাজেট অধিবেশন চালানোর সিদ্ধান্ত হয়। এর মধ্যে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত অধিবেশন মুলতবি থাকবে। প্রয়োজন বোধে স্পিকার এ সময় বাড়াতে বা কমাতে পারবেন। রমজানে অধিবেশন শুরু হবে সকাল সাড়ে ১০টায়।

সংসদ অধিবেশন চালানো এবং বেসরকারি দিবসকে সরকারি দিবস হিসেবে গণ্য করার ব্যাপারে স্পিকারকে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।
ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কার্যউপদেষ্টা কমিটির বৈঠকে কমিটির সদস্য সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ও জাপা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, আমির হোসেন আমু, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, মইন উদ্দীন খান বাদল এবং আইন বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ আমন্ত্রণে অংশ নেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ বিকাল সাড়ে ৩টায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত সংসদে ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জন্য বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করবেন। সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যদের দীর্ঘ আলোচনা শেষে ৩০ জুন বাজেট পাস হবে। প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে ৪৫ ঘণ্টা আলোচনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। অধিবেশনের শুরুতে সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে স্বাগত বক্তব্য দেন ডেপুটি স্পিকার। বাজেটের ওপর আলোচনা-সমালোচনা ও মতামত প্রদানসহ সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে সংসদকে কার্যকর করতে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান।

এর আগে অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার নিয়ম অনুযায়ী সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনীত করেন। এবার ৫ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলী মনোনীত করা হয়েছে। এরা হলেন : অধ্যাপক আলী আশরাফ, এবি তাজুল ইসলাম, ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল, ফখরুল ইমাম এবং সানজিদা খানম। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যদের মধ্যে যার নাম আগে থাকবে তিনি সংসদ কার্য পরিচালনা করবেন।

প্যানেল মনোনীত করার পরপরই সদ্য প্রয়াত সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী প্রমোদ মানকিনসহ বিশিষ্ট জনের নামে শোক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয় এবং তাদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। প্রমোদ মানকিনের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদসহ অন্যরা। আলোচনায় আরও অংশ নেন সংসদ উপনেতা সাজেদা চৌধুরী, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, শিরীন আখতার, ড. আবদুর রাজ্জাক, কাজী ফিরোজ রশীদ, এমএ মান্নান, মোহাম্মদ মোসলেম উদ্দিন, ডা. আমানউল্লাহ, মশিউর রহমান রাঙ্গা ও আবদুল মতিন।


Advertisement

আরও পড়ুন