আজ বৃহঃপতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮ ইং, ০৪ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ



ঈদ হোক সবার জন্য : পথশিশুদের ঈদের নতুন পোশাক প্রদানের জন্য সাহায্য করুন

Published on 30 May 2016 | 5: 03 am

 

ইয়ুথ ওয়েভ বাংলাদেশ’র কার্যক্রম

ঈদ মানেই আনন্দ এবং এর তাৎপর্য আমরা উপলব্ধি করতে পারি সেই আনন্দকে সকলের মাঝে ভাগাভাগির

মাধ্যমে। ঠিক এমনই একটি আনন্দ হচ্ছে ঈদকে কেন্দ্র করে নতুন পোষাক কেনাকাটা করা এবং বাবা মা

কিংবা পরিবারের ছোটদের উপহার দিয়ে সেই আনন্দ ভাগাভাগি করা। রোজার প্রথম দিন থেকেই আমরা

দেখতে পাই চট্টগ্রামের বিভিন্ন শপিং মল গুলোতে ক্রেতাদের ঈদের কেনাকাটার হিডিক, এবং বর্তমানে

রোজার শেষ দিকে চলছে শেষ মূহূর্তের কেনাকাটা। সবাই সবার সাধ্যমত পছন্দের পোষাকটি কিনছে এবং

প্রিয়জনদের উপহার দিয়ে তাদের দায়িত্ব শেষ করছে। কিন্তু আসলেই কি দায়িত্ব শেষ হচ্ছে? আমাদের দেশের

অলিতে -গলিতে, বাস কিংবা রেল স্টেশনে অথবা পথের আশেÑপাশে আমরা যে পথÑশিশুদের দেখতে পাই তারা

হয়তো আমাদের প্রিয় মানুষগুলোর তালিতাকায় কোন এক কারণে থাকতে পারে না। মনে হয় সেই কারণেই

আমাদের ঈদের শপিং এর বাজেট কিংবা উপহারের তালিকায় তারা স্থায় পায় না। হয়তো আমরা ধরেই নিয়েছি

পথÑশিশু মানে ছেড়া ময়লা জামা-কাপড়ের পথের পাশে কিছু নোংরা মানুষ। যেখানে তথাকথিত কিছু

সামাজিক মানুষের সামাজিকতা রক্ষার জন্য এতো সংগ্রাম সেখানেই আমাদের মাঝে এমন কিছুমানুষ

রয়েছে যারা আামদের দারা তখনই উপক্রিত হয় যখন কিনা আমাদের পকেটে ভাংতি কিছু পয়সা তাকে!!

প্রশ্ন জাগে সেইসব সামাজিক জীবগুলোর প্রতি, পথÑশিশুদের কি আপনারা সমাজের বাইরের অংশ বলেই

ধরে নিয়েছেন? আমরা কি ভেবে দেখেছি আমাদের কিনে দেওয়া ঈদের পোষাক তাদের এই বস্তাপচা জীবনের

সাদাকালো ঈদকে কতটা রঙ্গিন করতে পারে? আমরা কি পারি না অন্তত একটি দিনের জন্য হলেও তাদের জন্য

কিছু করতে? আমরা অনেকেই হয়ত ঈদের কেনা পোষাকটি একটা দিনের জন্য পরি, কিন্তু আমাদের কিনে

দেওয়া একটি পোষাক দিয়ে তাদের বেশ কয়েকটা ঈদ আনন্দের সাথে কেটে যাবে।

আনন্দের বিষয় হচ্ছে এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে দেখা যাচ্ছে স্কুল, কলেজ ও

ইউনিভার্সিটির ছাত্র-ছাত্রীরা ব্যক্তিগত ভাবে কিংবা বিভিন্ন ইভেন্টের মাধ্যমে পথÑশিশুদের জন্য বিভিন্ন

কার্যক্রম করে যাচ্ছে। যা কি না শুধুমাত্র “লাইক”, “কমেন্ট” কিংবা “শেয়ার” এর মাঝেই সিমিত নয় বরং

আক্ষরিক অর্থেই তারা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে ঠিক এইরকম একটি সংগঠন “ইয়ুথ ওয়েভ

বাংলাদেশ”।

কেউ হয়তো তাদের জন্য ইফতারের আয়োজন করছে, কেউ হয়তো কেবল আর্থিক ভাবে সাহায্য করছে, এবং

কেউ হয়তবা তাদের জন্য ঈদের পোষাক কিনে দিচ্ছে। আসলেই তাদের জন্য সম্মান এবং দোয়া মনের

অজান্তেই চয়ে আসে। হয়তো প্রশ্ন আসতে পারে, হাজারো পথÑশিশু থাকতে একজন/দু’জনকে ঈদের

পোশাক কিনে দিলেই কি হবে? জবাবে শুধুএটাই বলতে চাই, ১৬ কোটি মানুষের এই দেশে যদি সবাই

অন্তত নিজ মানবিক দায়িত্বটুকুই পালন করতাম তাহলে হয়তো “পথশিশু” নামক এই শব্দটি আামাদের

কাছে অপরিচিতই রয়ে যেত।

প্রশ্ন আসে লাভ-লোকসানের, কি লাভ এত কিছু করে, এত সময়ই বা কোথায়? গুর”ত্বপূর্ণ(??) এই

প্রশ্নের উত্তরে এতটুকুই বলতে পারি, সময়ের অজুহাতে নিজ দায়িত্বের অবহেলা না করে আপনি বরং আপনার

ইচ্ছা শক্তির দিকে নজর দিন, লাভ Ñলোকসানের হিসেব আপনি নিজেই কষতে পারবেন। ভাগ্যবান মনে হয়

নিজেকে পথÑশিশুদের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যেতে পারছি বলে। বড় ভাই এবং বন্ধুদের সংস্পর্শে এসে

“ইয়ুথ ওয়েভ বাংলাদেশ” সহযোদ্ধা হয়ে কাজ করতে আসতে পারেন। ৯ টা ৫টা অফিস এবং সান্ধ্যকালীন

ক্লাসেরও ছকে Ñবাধা এই জীবনের মাঝেও তাদের এই মহত কাজটি চালিয়ে যাওয়া আসলেই প্রশংসার

দাবিদার। এমনই কিছু মানুষের কাজের অভিজ্ঞতার বর্ণনা শুনে আমার উপলব্ধি,

“নিজের জন্য নয়, পরের জন্য কিছু করতে পারার অনুভূতি আশলেই সবকিছুর উর্ধ্বে”।

আমরা “ইয়ুথ ওয়েভ বাংলাদেশ” পরিবার যখন পথÑশিশুদের হাতে নতুন একটা জামা তুলে দেই, তখন

তাদের আনন্দ দেখে মনে যে শান্তি খুশি কিংবা আনন্দের সৃষ্টি হয়, তা হয়তো সরাসরি ঈশ্বর প্রদত্ত। যেটা

কোটি টাকার বিনিময়েও কেউ পাবেনা। শিশুদের ভরা কন্ঠ এবং ছলছল চোখই বলে দেয় তার আনন্দের পরিমাণ

এবং হয়তো এটাই প্রকৃত আনন্দ। আসুন না এবারও পথÑশিশুদের জন্য কিছু করি। তাদের জন্য সামান্য

খরচে হয়তো আমাদের তেমন কোন ক্ষতি হবে না, কিন্তু বেশ কিছু পথÑশিশুর মুখে হাশি ফুটবে। চাঁদ রাতে

আতশবাজি না ফুটিয়ে এখন থেকে না হয় তাদের মুখে হাশি ফুটালাম।।

আমাদের কাছে আপনাদের সাহায্য পাঠাতে যোগাযোগ করুন:

মো: বাপ্পি হোসেন, সভাপতি

মোবাইল: ০১৬২২-০৯৯০৯৬,

মো: আনাস, সাধারণ সম্পাদক:

মোবাইল: ০১৮৪৩-২৪৫৯৪০,

মো: মাসুদ, দপ্তর ও আইন সম্পাদক

মোবাইল: ০১৮৩৩-৪২০৯৩১

আমাদের বিকাশ নম্বর: ০১৮৫১-৩৯৭৫১৬, ০১৮৭৮-৫৮৪৮২২, আমাদের ঠিকানা: হালিশহর, চট্টগ্রাম।


এখানে খুজুন


আরও পড়ুন